স্টাফ রিপোর্টার ঃ  ডাঃ মহিবুর রহমান সাদাত। একজন করোনা যোদ্ধা। এই করোনার মধ্যে দিয়েও নিজের জীবন বাজী রেখে নিয়মিত রোগী দেখেছেন নিজ চেম্বারে বসে। পিতা মরহুম শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। দাদা মরহুম আব্দুস সামাদ পাটোয়ারী। গ্রামের বাড়ী মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের উত্তর বারগাঁও। পিতা ও দাদার স্বপ্ন পূরনের জন্য চিকিৎসা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। কিন্তু মহিবুর রহমান সাদাতের স্বপ্ন ছিল তিনি একজন প্রকৌশলী হবেন। স্ত্রী খোদেজা বেগম বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। মহিবুর রহমান সাদাত ২০০৬ সালে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করার পর সরকারি লোভনীয় চাকুরিতে না গিয়ে এলাকার মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য ভাইয়ের নামে সাকিব ডায়াগনিষ্টিক এন্ড ডায়াবেটিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন ২০১১ সালে। পিতা সফিকুর রহমান পাটোয়ারীর অনুপ্রেরনায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি (বারডেম) থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত একমাত্র মতলবের এই প্রতিষ্ঠানটি মতলবের সাধারন মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন। ডাঃ মহিবুর রহমান সাদাত একান্ত সাক্ষাতে বলেন, সারাবিশ্বে মহামারী করোনায় যারা মৃত্যুবরন করেছে আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমার স্বপ্ন ছিল আমি একজন প্রকৌশলী হবো কিন্তু আমার দাদা ও বাবার স্বপ্ন পূরনের জন্যই চিকিৎসা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। বাকি জীবনটাও সাধারন মানুষের চিকিৎসা সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। মহামারী করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে অদ্যবদি আমি আমার ডায়াবেটিস সেন্টারে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিয়মিত রোগী দেখে আসছি। করোনার মধ্যে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ঝুঁকি। এজন্য আমি প্রতিদিনই ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী ইমো, হোয়াটসএ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করছি। বর্তমান এই প্রেক্ষাপটে নিজেকে নিরাপদে রাখুন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন, পরিবারকে নিরাপদ রাখুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে চলাফেরা করার জন্য অনুরোধ করছি। তিনি আরো বলেন, আমার দাদা মরহুম আব্দুস সামাদ পাটোয়ারী নায়েরগাঁও উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নে দীর্ঘ ২৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত রেখেছিলেন। পিতা মরহুম সফিকুর রহমান পাটোয়ারীও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সক্রিয় একজন নেতা ও কর্মী হিসেবে এবং অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমিও চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে বাবা ও দাদার স্বপ্ন পূরন করতে পারলেই নিজেকে গর্বিত মনে করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here