কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে রেকর্ড পরিমাণ মানুষের দেহে ক’রোনা শ’নাক্ত হয়েছে। শনিবার জে’লায় ৬৩ জনের ক’রোনা শ’নাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মা’রা গেছে ২ জন।

শনিবার সবচেয়ে বেশি আ’ক্রান্ত হয়েছে নাঙ্গলকোটে ২৫ জন। মুরাদনগরে ১৪ জন। লাকসামে ৭ জন। সদর দক্ষিণে ৬ জন। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৩ জন। আদর্শ সদরে ২ জন। বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় ১ জন করে। এ নিয়ে মোট কুমিল্লায় শ’নাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫২৬ জনে। মোট সুস্থ হয়েছেন ৮৮ জন। আর মা’রা গেছেন ১৯ জন।

এদিকে কুমিল্লায় শনিবার ক’রোনার উ’পসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন ২ জন। কুমিল্লার বুড়িচং উপজে’লার সদর ইউনিয়নের জরুইন গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক মো. বিল্লাল হোসেন ক’রোনার উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃ’ত্যু হয়। বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডাক্তার মীর হোসেন মিঠু জানান, তিনি কয়েকদিন ধরে সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসক’ষ্টে ভুগছিলেন।

অ’সুস্থ অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। সেখানেই মা’রা যান তিনি। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে আমরা পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হতে পারবো।

বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বুড়িচং সদর ও আশেপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি গরিবের ডাক্তার নামে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন।

অপদিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ক’রোনাভা’ইরাসের উপসর্গে এক বৃদ্ধের (৭০) মৃ’ত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে উপজে’লার দৌলখাঁড় পূর্ব পাড়ার নিজ বাড়ীতে তার মৃ’ত্যু হয়। খবর পেয়ে উপজে’লা স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করে।

এ ব্যাপারে উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা দেব দাশ দেব জানান, চট্টগ্রাম থেকে ১৫ দিন পূর্বে ওই ব্যক্তি জ্বর ও শ্বাস ক’ষ্ট নিয়ে বাড়ী আসেন। পরে তিনি পাশ্ববর্তী লাকসামের ডা: আহসান উল্লাহ, নাঙ্গলকোট নোভা হাসপাতাল ও স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here