বিশেষ প্রতিবেধনঃ

১.

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যথার্থ বলেছিলেন ‘বাংলাদেশের ইতিহাস, ছাত্রলীগের ইতিহাস’। ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোতে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রুপরেখা প্রদান করা হয়েছিলো। জিন্নাহ’র চক্রান্তে শেষ পর্যন্ত হাজার কিলোমিটার ব্যবধানযুক্ত দুটি ভূখণ্ড কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সাযুজ্য ছাড়াই শুধু ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান নামে আত্মপ্রকাশ করে। পূর্ববঙ্গীয় নেতৃবৃন্দের যুক্ত বাংলা গঠনের প্রস্তাব ব্যর্থ হলে তারাও এটি এক পর্যায়ে সানন্দে মেনে নেন। কিন্তু ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার নিরিখে উত্তর ভারতীয় উর্দুভাষী মুসলিমরা যে পাকিস্তান রাষ্ট্র আদায় করে নিলেন, স্বভাবতই স্বাধীনতার পরপরই নতুন রাষ্ট্রটির সামরিক-বেসামরিক প্রশাসন এরাই দখল করে নেয় এবং বাঙালি অধ্যুষিত পূর্বাংশকে নতুন উপনিবেশে পরিণত করে। স্বাধীনতার দুবছরের মধ্যেই যখন ভারত সংবিধান প্রণয়ন করে সাধারণ নির্বাচন দিতে সক্ষম হয়, তখন পাকিস্থানের সংবিধান প্রণয়নে গড়িমসিসহ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সমূহ শক্তিশালী করণে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ইচ্ছাকৃত বিলম্বকরণ এই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার মুখোশ উন্মোচন করে দেয়। পাকিস্তানের স্বাধীনতাকে বঙ্গবন্ধু আখ্যায়িত করেছিলেন ‘ফাঁকির স্বাধীনতা’ বলে। বাঙালিদের অবস্থা দাঁড়ায় ‘এক শকুনির হাত থেকে আরেক শকুনির হাতে পড়া’র মতো। বাংলাদেশের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ বঙ্গবন্ধুকে ভাবিয়ে তোলে, তিনি উপলব্ধি করেছিলেন মুসলীম লীগের রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী ছাত্র-জনতাকে নিয়ে পরিস্থিতির উত্তরণ সম্ভবপর হবে না। এজন্য তিনি সমাজের প্রগতিশীল এবং প্রতিশ্রুতিশীল অংশকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালান। সেই প্রচেষ্টার প্রথম প্রয়াস ছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা। কিন্তু ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠার পথটিও মসৃণ ছিলো না।

২.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলশ্রুতিতে বাংলার মধ্যবিত্ত মুসলিম ছাত্রদের ভেতর দেশ, সমাজ ও নিজ সম্প্রদায় সম্বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি হতে থাকে, একপর্যায়ে ১৯৩৩ সালে ‘নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্র সমিতি’ গঠিত হয়। এরপর ১৯৩৮ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত বাংলার মুসলিম ছাত্র প্রতিনিধিদের এক সম্মেলনে বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ‘নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পরে মুসলিম ছাত্রলীগ তখন ডানপন্থী নেতা শাহ আজিজের নেতৃত্বে। উল্লেখ্য এই সময়টাতে মুসলিম লীগের দুইটি ধারা বিদ্যমান ছিলো যার একটির নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ-খাজা নাজিমুদ্দিন গ্রুপ (ডানপন্থী বা প্রতিক্রিয়াশীল ধারা) অপরটির নেতৃত্বে ছিলেন হোসেন সোহরাওয়ার্দী-আবুল হাশিমরা (বামপন্থী বা প্রগতিশীল ধারা)। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বামপন্থী ও প্রগতিশীল ধারায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন । তিনি ডানপন্থীদের নিয়ত্রণ থেকে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগকে মুক্ত করার উদ্যেগ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে ভর্তি হওয়ার পর ইতিমধ্যে তরুণ শেখ মুজিব ছাত্রদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ছাত্রদের মাঝে এক উপস্থিত বক্তৃতায় তিনি ছাত্রদের নিয়ে একটা অসাম্প্রদায়িক এবং গণতন্ত্রমুখী ছাত্র সংগঠন গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তৎকালীন নেতা শাহ আজিজকে কাউন্সিল আহ্বান করতে বলেন। শেখ মুজিব বললেন ‘নিখিল বাংলা ছাত্রলীগের নাম বদলে নিখিল পূর্ব পাকিস্তান রাখার মানে কি ও পশ্চিম বাংলাও আমাদের সাথে নাই। ছাত্রলীগের কাউন্সিল ডাকেন, সেই যে ১৯৪৪ সালে কাউন্সিল হয়েছে তারপর আর কাউন্সিল হয় নাই। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গত চার বছরে ৮ বার সম্মেলন হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে আপনাদের অনেকের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এরই মধ্যে বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে, পরবর্তিত পরিস্থিতিতে অবশ্যই কাউন্সিল ডাকতে হবে’।শাহ আজিজ অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির লোক ছিলেন, তিনি বুঝে ফেললেন, কাউন্সিল ডাকলে তার সাধারণ সম্পাদকের পদ হারাতে হবে। তাই তিনি রাজি হননি। উত্তরে শাহ আজিজ বলেন ‘আপনারা চাইলে আলাদা ছাত্রলীগ গঠন করতে পারেন’। সংস্কারকামী ছাত্রদের নিয়ে তিনি মোগলটুলিতে ফিরে গিয়ে ক্যাম্পাসের ছাত্রনেতাদের ডাকলেন, বললেন, ‘৪ জানুয়ারি সবাই ফজলুল হক হলে আসেন। শাহ আজিজ কাউন্সিল ডাকবে না। আমাদের পথ আমাদেরই খুজতে হবে’। ফজলুল হক মুসলিম হল মিলনায়তনে নেতৃত্বস্থানীয় ছাত্রকর্মীরা উপস্থিত হলো, নতুন সংগঠন হবে। নামকরণের প্রসঙ্গে অনেকের কাছ থেকে প্রস্থাব এলো ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’। কিন্তু অলি আহাদ বললেন আমরা অসাম্প্রদায়িক সংগঠন করতে চাই। মুসলিম শব্দটা বাদ দিয়ে শুধু ছাত্রলীগ নাম রাখা হোক। মোহাম্মদ তোহাও এই মত সমর্থন করলেন। মুজিব বললেন ‘নীতিগতভাবে আমিও এই মত সমর্থন করি কিন্তু বাস্তবে কৌশলগত কারণে আমরা এখনই এটা না করে কিছুদিন পরে করতে পারি। এখন যদি মুসলিম শব্দটা বাদ দেই সরকার আমাদের উপর সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে। আমাদের ইন্ডিয়ার দালাল বা কমিউনিস্ট বলবে। স্থানীয় মানুষদেরও আমাদের উপর লেলিয়ে দিবে।আপাতত মুসলিম শব্দটা থাকুক। সময় ও বাস্তবতা বুঝে আমরা পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক নাম দিয়ে আত্মপ্রকাশ করবো’। সবার মতামতের ভিত্তিতে বেশিরভাগ কর্মীর কাছেই শেখ মুজিবের নামটাই গৃহীত হলো। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ মাস ১৯ দিন পর (৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮) প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে ওষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ এবং প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

৩.

১৯৪৮ সালেই মাতৃভাষার প্রশ্নে আপোসহীন নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে শুরু যে পথ চলা তা পরবর্তী সময়ে বাঙালির প্রতিটি ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলোকবর্তিকা হয়ে আভা ছড়িয়েছে। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনকালীন সময়ে ২১ দফাকে জনতার দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে মুসলিম লীগকে পূর্ববাংলার রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, ১৯৫৬ সালে প্রণিত পাকিস্থানের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি আদায়, ১৯৫৭ সালের শিক্ষক ধর্মঘট এবং ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের পালে বাতাস দেয় ছাত্রলীগ। শেরেবাংলা এবং সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পরে বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্বে যখন বাঙালি পশ্চিমা সামরিক শাসকগোষ্ঠীর সকল নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ছিলেন, তখনই বঙ্গবন্ধুসহ প্রথমসারীর সকল রাজনৈতিক নেতৃত্বকে কারান্তরীণ করলে এক রাজনৈতিক শূন্যতার সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় মুক্তির ঝাণ্ডা নিয়ে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফাকে জনগনের দুয়ারে পরিচিত করে স্বাধিকার আন্দোলনের ভীত গড়ে তোলে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতৃত্বেই স্বৈরাচার আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে, আন্দোলন সামাল দিতে না পেরে সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল করে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আইয়ুব সরকারকে বিতাড়িত করে শেখ মুজিবকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের ১৭ হাজার নেতাকর্মী আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। মুজিব বাহিনী, ক্র‍্যাক প্লাটুনসহ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সম্মুখ সমরে একাধিক বাহিনীকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

৪.

স্বাধীনতা উত্তর যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ গঠনেও ছাত্রলীগের ভূমিকা অগ্রগন্য ছিলো। ১৫ আগষ্টের পরপরই সামরিক রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে একমাত্র ছাত্রলীগই স্লোগান তুলেছিলো ‘মুজিব হত্যার পরিণাম, বাংলা হবে ভিয়েতনাম’। সামরিক শাসকের বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের শিক্ষা আন্দোলন ও সর্বদলীয় সংগ্রামে ১০ দফা দিয়ে নেতৃত্ব দেয়। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও নেতৃত্ব দেয় ছাত্রলীগ। সর্বোপরী স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনের সাত দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সংগঠনের নাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলার সকল দূর্যোগ দূর্বিপাকে ছাত্রলীগ সবসময় মূল চিত্রপটে থেকেছে। দূর্যোগপ্রবণ দক্ষিণ জনপদের এযাবৎকালের সকল ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ত্রাণ ও পূর্ণগঠন কার্যক্রমে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ছিল সর্বাগ্রে। বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান ভাটি এলাকায় হওয়ায় এবং নদীমাতৃক এই দেশে প্রতিবছর বন্যার কারণে উত্তরবঙ্গে ব্যাপক জনদুর্ভোগ ও ফসলহানি ঘটে থাকে। ছাত্রলীগের সেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এই দুঃসময় গুলোতে গণমানুষের কাছে ফিবছর আশির্বাদ হয়ে আসে। এই বৈশ্বিক করোনা মহামারীকালেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ত্রাণ কাঁধে নিয়ে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। কৃষক যখন তার অনেক কষ্টের ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চি
ন্তায় পড়েছে, ছাত্রলীগের কর্মীরা কলম ফেলে কাস্তে হাতেনিয়ে কৃষকের বুকে শক্তি জুগিয়েছে। ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে পৌঁছিয়ে দিয়েছে। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির লাশ যখন তার স্বজন নিকট আত্মীয়রা ফেলে দূরে পালিয়েছে, ছাত্রলীগের অকুতোভয় যোদ্ধারা মাথায় কাফনের কাপড় বেধে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দাফন করেছে।১৯৭২ সালে স্বাধীনতা উত্তর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বাঙালিদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘আপনারা দেশ গড়ার কাজে ঝাপাইয়া পড়ুন’। ঘাতকের বুলেট তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করলেও তারই সুযোগ্য কন্যা তার সেই অপূরনীয় স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। বিশ্বব্যাংককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের শতবছরের আজন্ম লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করেছেন।বিশ্বের ৫৮টি নিজস্ব স্যাটেলাইট সমৃদ্ধ দেশের তালিকায় বংলাদেশকে যুক্ত করেছেন। সমুদ্রসীমা পেরিয়ে ছিটমহল বিজয়ী হয়েছেন। স্বপ্নের মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশের কাজ একদম শেষ প্রান্তে। মাথাপিছু আয়ও তিনগুন বেড়েছে, গ্রামীণ কৃষি কাঠামো বদলে গিয়ে উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধির হার ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বৈদেশিক রিজার্ভ ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আমরা আজ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ম মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। সারাবিশ্বে উগ্রপন্থা ও চরমপন্থি জাতীয়তাবাদী শক্তির উত্থানের বিপরীতে ছাত্রলীগ শুনিয়েছে তারুণ্যের জয়গান- ধর্মনিরপেক্ষ, উন্নয়নকামী এবং স্বাধীনতার পক্ষের গণতান্ত্রিক ধারাকে চলমান রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক প্রজন্ম গঠনে ছাত্রলীগ সবচেয়ে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে এটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গঠনে ছাত্রলীগের দেশবাসীকে উপহার। ভিশন রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ সালের উন্নত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ড পিপলের যে তিন কোটি তারুণ্যের শক্তি রয়েছে, সেই তারুণ্যকে জনসম্পদে পরিণত করতে হবে শিক্ষার সাথে প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে যাতে আগামী চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে তারা নেতৃত্ব দিতে পারে। মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় হোক ছাত্রলীগের ৭৩তম জন্মদিনে।

শুভ জন্মদিন।

লেখকঃ- মোঃ রিমন মিয়াজী

সাধারন সম্পাদক, ১নং নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়ন  ছাত্রলীগ,মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here