আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন সদর থানায় ৮ জন, হাইমচর থানার ৪ জন, কচুয়া থানার ২ জন, শাহরাস্তি থানার ২ জন, সদরের একজন ট্রাফিক পুলিশ, পুলিশ লাইনসের ৪ জন, জেলা পুলিশ হতে নৌপুলিশে প্রেষণে কর্মরত একজন। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১২ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০ জন পুলিশ সদস্য।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা প্রথম থেকেই ব্যারাকগুলো ভাগ করা হয়েছে। জেলার পুলিশ সদস্যদের ৩ ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা করে ফেলেছিলাম। এছাড়া আমরা হোটেল ভাড়া করেছিলাম। আগে যেখানে তিনজন থাকতো সেখানে এখন একজন থাকছেন। যে কারণে আমরা কিছুটা রক্ষা পেয়েছি। এরপরও যখন পুলিশ সদস্যরা ডিউটি করতে বাইরে যান, রোগী সংস্পর্শে যান, জানাজায় যান- তখন ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে ১২ জন ভালো হয়ে গেছেন। আরও নতুন আরও কয়েকজন যোগ হয়েছেন। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের আলাদা রেখে সঠিক ট্রিটমেন্ট দেয়ার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here