চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎতের মনগড়া ভূতরে বিলে দিশেহারা গ্রহক অভিযোগ অসংখ্য গ্রহকেরস্টাফ রিপোর্টার :
করোনা মহামারিতে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে জীবন-যাপন করছে ঠিক সেই সময় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎতের মনগড়া ভূতরে বিলের কপি পেয়ে আরো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ঘরে বসে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিল প্রস্তুতকারীদের মনগড়া বিলের সাথে মিটার রিডিংয়ের কোন প্রকার মিল নেই। মনগড়া বিল তৈরী করে সাধারণ গ্রহকের কাঁধে বিলের বোঝা বাড়িয়ে দিয়ে মানুষকে দিশাহারা করে দিচ্ছে তারা।

অভিযোগের ভিত্তিতে সরোজমিনে গিয়ে জানাযায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের নানুপুর গ্রামের এয়াকুব আলীর পুত্র মো. তাজুল ইসলামের পল্লী বিদ্যুৎতের মিটারের গত ২৬ মে তারিখ পর্যন্ত মিটারের ইউনিট রয়েছে ৭৩৫।  কিন্তু চলতি মাসের ৮ মে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে যেই বিল দেওয়া হয়েছে সেখানে বর্তমান রিডিং দেওয়া হয়েছে ৭৬০ ইউনিট।  চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয়েছে ৩৩০ইউনিট। মার্চ মাসের ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয়েছে ১২৫ ইউনিট। ফেব্রুয়ারী মাসের ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয়েছে ১০৫ ইউনিট। জানুয়ারী মাসের ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয়েছে ১৫০ ইউনিট।

কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ব্যবহৃত ইউনিট ৩৩০ হওয়ায় গ্রহকের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়।  তখন তারা বাগাদী ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎতে কর্মরতদের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারা ঈদের পর দিন ২৬মে ঘটনাস্থলে এসে মিটার পরীক্ষা করে দেখেন মিটারের ৭৩৫ ইউনিট দেখাচ্ছে। তখন তারা বিলের কাগজে ইউনিট উঠিয়ে সাক্ষর করে যান এবং বিষয়টি নিয়ে তারা অফিসিয়াল অভিযোগ করবেন বলে গ্রহককে আশ্বাস প্রদান করেন।

এমন একই অভিযোগ চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের অসংখ্য গ্রহকের।  তাদেরও এমন মনগড়া বিল দেওয়া হয়েছে। হয়রানির শিকার শতাধীক গ্রহক বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লালকেও অবহিত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here