চাঁদপুরের কচুয়ার ১নং সাচার ইউনিয়ন উজান ছিনাইয়া গ্রামে (টেকেরপাড় বাড়িতে) ডিস লাইন কাটাকে কেন্দ্র করে বসতঘর , দোকানপাট ও ভাংচুর মারধরের অভিযোগ উঠেছে ।

হামলায় আহতরা হচ্ছে: উজান ছিনাইয়া টেকেরহাট গ্রামের আলমাছ মিয়ার ছেলে মো, আবু জাফর,বাবুল সওদাগরের স্ত্রী খোসনেহারা বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম তার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জীবন সদাগর, শিশু সূচনা আক্তার কে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষ লোকজন।

এ ঘটানয় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে মো: মফিজ মিয়া ওরপে চিকন আলী বাদী হয়ে কচুয়া থানায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ ও ১০/১২জনকে অজ্ঞাত আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার নং- ০৩,তারিখ: -০৭-০৫-২০২০ খ্রি.।

মামলার প্রেক্ষিতে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এস.আই) আবু হানিফ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বাদীর দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে দুপুরে বাদী মফিজ মিয়ার গৃহের ডিস লাইন একই গ্রামের ফরহাদ হোসেন কেটে দেয়। ডিস লাইন কেটে সম্পর্কে জিজ্ঞাবাদ করলে একই গ্রামে বাবুল মিয়া,বাহারম হোসেন বাহার,জাবেদ,রেনু মিয়া ও মুরাদ উত্তেজিত হয়ে তাকে এলোপাথারি মারধর করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে অন্যরা এগিয়ে আসলে তাদেরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং পরদির ৬ মে দুপুরে বাদীপক্ষের লোকজেনের বাড়ীতে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অন্যায় ভাবে প্রবেশ করে বাড়িঘর ভাংচুর করে হামলাকারীরা তাদের গৃহে থাকা নগদ টাকা,মালামাল নিয়ে যায় এবং এতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করেন বলে মামলায় উল্লেখ করেন।

পরে আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় মৃত: গনি মিয়ার ছেলে মফিজ (চিকনআলী) ৩টি বসত ঘর,পাখি বেগমের ২টি বসত ঘর, সবুজ হোসের ১টি বসত ঘর,২টি দোকান, ১টি নতুন মটর সাইকেল, ঘরে দরজা, জানালা, টিভি, ফ্রিজ, আলমারী, খাট, কাটের ফার্নিচার, রান্না ঘরভাংচুর করেন।

অন্যদিকে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় সম্প্রতি পুলিশ মামলার আসামী আনোয়ার হোসেন, সুমন মিয়া, শাকিল ও নুরজাহান বেগম গ্রেফতার করে চাঁদপুর জেল হাজতে প্রেরন করলে তারা জামিনে বের হয়ে আসেন।
কচুয়ার সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এস.আই মো. আবু হানিফ জানান, দু’পক্ষ পৃথক ভাবে মামলা দায়ের করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here