নারায়ণপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৩ নং খাদের গাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীরের বিরুদ্ধে ভিজিডি ও জেলেদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ পর পর কয়েকটি অন লাইন পএিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যাহার বৃত্বি হিসেবে চেয়ারম্যান বলেন, ত্রকটি মহল ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে, কেনো না আমার তত্বাবধানে সঠিক ভাবে জেলে ত্রবং ভি জি ডি কার্ডের চাউল বিতরন করছি, আর যারা অপ্র প্রচার চালাচ্ছে তারা আসলে আমাকে হেয়প্রতিপুন্ন করার জন্য বলে আমি দাবি করি, ত্রমন কথা গুলি বলেন চেয়ারম্যান রিপন মীর।

এমন ঘটনার রেশ টেনে চেয়ারম্যান রিপন মীর বলেন

আমার বিরুদ্বে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত
অভিযোগ দিয়েছেন সোলেমান সরকার , আর অভিযোগে উল্লেখ করেন, ৪৬ জন জেলেদের চাউল আমি আর্ত্বস্বাত করেছি, যাহা সঠিক নয়, কেনো না অভিযুক্ত কারি নিজেও জানেন না যে আমি মেম্বারদের মাধ্যম, লক ডাউন অব্যহত থাকায় কোন গাড়ি চলাচল না করার কারনে ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডের জেলেরা ইউ পি অফিসে আসতে পারেনি বলে , সেই ৪৬ জনের জেলের চাউল অগ্র্ধিকার বৃত্বিতে ১ নং ওয়াড মেম্বার মোজাম্মেল হক মিয়াজির মাধ্যমে ৫ জন জেলেকে ত্রবং ২ নং ওয়াড মেম্বার অঞ্জন সরকারের মাধ্যমে ৪১ জন মোট ৪৬ জন নিবদ্ধদিত, জেলেদেরকে মাষ্টার রুলের মাধ্যমে চাউল বিতরণ করেন মেম্বারদ্বয়
তাহলে আমার প্রশ্ন জেলেদের চাউল আমি কেমন করে আর্ত্বস্বাৎ করলাম?

অভিযোগকারীরা জানান, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীর নারীদের ভিজিডি কার্ড নিজের কাছে আটকে রেখে এক বছর যাবৎ চাল উত্তোলন করে আসছেন। যাদের নামে ভিজিডি কার্ড করা হয়েছে তাদের জানানো হয়নি ।

ত্র বিষয়ে রিপন মীর বলেন

আমি কোন কার্ড আটকে রাখিনি,উপজেলা থেকে তালিকা ভুক্ত ২৫৭ জনের কার্ড অনুমোদন হয়ে আসার পরে আমি সকল বইয়ে সাক্ষর করে তাহা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও ইউ পি সচিব ত্রবং সকল মেম্বারগন উপস্থিত থেকে সকল কার্ড ধারি ব্যক্তিদের তালিকা করে সাক্ষর রেখে যাহার বই তাহাদের কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ত্রবং ওই দিন যাহারা আসে নি তাহাদের বই গুলো উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি সালাম দেওয়ানজি ইউ পি সচিব নাছির আলম ত্রর নিকট বুঝিয়ে দেন, যাহা তালিকাভুক্ত ভাতা দারিদের কার্ড বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ প্রধান করেন চেয়ারম্যান।

নারায়ণপুর গ্রামের রুমি বেগম নাকি এক বছর তিন মাস পর ভিজিডি কার্ড হাতে পেয়েছেন।

ত্র বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন

আমি বিষয়টি জাানার সাথে সাথে সচিব সাহেব কে ব্যবস্হা নেওয়ার কথা বলি ত্রবং সচিব আমাকে বলেন
তার নামের কার্ডটি যখন হাতে পেয়েছেন ঠিক তখনি সচিব রুমি বেগমকে কার্ড নিতে আসতে বললে সে বিলম্ব করে, পরে উনি যখন আসেন তখন রুমি বেগমকে সচিব কার্ডটি বুঝিয়ে দিয়েছেন।
কিন্তু রুমি বেগম আমার কাছে কোন অভিযোগ করেনি, তবে বই পাওয়ার ৫ মাস পরে আমার কাছে রুমি অভিযোগ করলে আমি ওয়র্ড মেম্বারের উপস্হিতিতে তার চাউল দেবার নির্দেশ প্রধান করি।
ত্রকই সাথে ঘিলাতলির নাজমা বেগম, তার বিজিডি কার্ড তার কাছে ছিলো, সে প্রর্যাক্রমে তার পাপ্প্যর চাউল উঠিয়ে নিয়েছেন।

ভিজিডি কার্ডধারী মিনতি রাণী সাহা বলেছেন অল্প কিছুদিন আগে তাকে কার্ড দেয়া হয়। গত বছরের চাল দাবি করলে চেয়াম্যানের লোকজন তাকে ডেকে নিয়ে ১১ হাজার ২শ টাকা দিয়ে কার্ডে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

ত্র বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন,

ত্র বিষয়টি জানার পরে আমি সচিব কে বলে
২৫৭ টি কাডের মধ্যে মিনতি রানীর কাডটি দেখার কথা বলি,ত্রবং সচিব বলে আমার ভুল বসত ফাইলে মিনতি রানীর কার্ড টি থেকে যায়,আমি মে মাসে যখন
ফাইল ঘাটতে গিয়ে মিনু রানীর কাডটি চোঁখে পড়লে সাথে সাথে ওয়াড মেম্বার ও চেয়ারম্যান কে বিষয়টি অবগত করে নিজের ভূুল শিকার করেন চেয়ারম্যান ত্রর কাছে।

তাৎক্ষণিক চেয়ারম্যান ওয়াড মেম্বার শেখ সেলিম ত্রর উপস্থিতিতে সচিবকে মিনু রানীর চাউল বুঝিয়ে দেবার নির্দেশ দেন, ত্রকই সাথে মেম্বারকে বলেন মিনতি রানীকে খবর দিতে সচিবের সাথে ত্রসে যেনো দেখা করেন।
কিন্তু মেম্বার মিনুতিকে কোন খবর না দিয়ে কেটে পরে চলে যায়,

পরে চেয়ারম্যন লোক দিয়ে মিনুতিকে চাউলের বিষয়ে সচিবের সাথে দেখা করার থবর পাঠালে তিনি তার স্বামীকে নিয়ে ইউ পি অফিসে আসলে সচিব তার কাছে নিজের ভুল শিকার করে তাহার পাপ্যের চাউলের বাজার মূর্লের টাকা তাকে নগত বুঝিয়ে দিয়ে চেয়ারম্যান কে অবহিত করেন, ত্রবং চেয়ারম্যন অফিসে ত্রসে তাদের জিঞ্জেস করলে তারা তাদের পাপ্য পেয়েছেন বলে শিকার করেন।

৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ সেলিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কিছুদিন আগে তাদের কার্ড হস্তান্তর করা হয়েছে। বিগত দিনে তাদের কার্ডের অনুকুলে চাল উত্তোল করলেও তারা পায়নি।

ত্র বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন,

সেলিম মেম্বার নিজেও ভালো করে জানেন, কবে তাদের কার্ড ত্রসেছে, আর তাদের কার্ডের বিষয়টি সচিবের সাথে নিশ্চয় তিনি সমন্নয় করে জেনেছেন।

তাছারা তিনি পূর্বে যেনে থাকলে তখন ত আমাকে বলেন নি কেনো তারা চাউল পায়নি, যদি আমায় সেলিম মেম্বার সাহেব বলতো তাহলে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য সচিব কে নির্দেশ দিতাম তা না করে তিনি ত্রখন কেনো অভিযোগ করেন, ত্রতে কি তার কোন দায় ভার বা দায়িত্ব নেই।

অপরদিকে পুরনো রাস্তার পুরনো ইট আমি ঘর নির্ন্মান কাজে লাগানোর নামে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন।

ত্র বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন

অসহায়দের ঘর নির্ন্মানে সরকার সব কিছুু নতুন করে ঘর তৈরি করে, তাহলে আমি কেমন করে পুরনো রাস্তার পুরনো ইট দিয়ে ঘর নির্ন্মান করবো,যাহার অভিযোগটি বৃৃৃত্বিহীন বানোয়াট বলে মনে করি। আমি সরকারি কাজে হউক বা নিজের কাজে হউক রাস্তার ইট গুলি নিয়ে যাইনি।

তাছারা আমার বিজয়ের পরে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর পর আমি শাহ আলমের দোকান হইতে খাঁদের গাঁও পগাইর প্রধানীয়া বাড়ি পর্যন্ত নতুন কাঁচা রাস্তা তৈরি করি, যাতে করে পুটিয়া তাফাজ্জল ঢালী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের৷ সুবিধা হয়৷

ত্রবং রাস্তার প্রস্থ্যত


 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here