জয়নাল আবদীন ক্রাইম রিপোর্ট নারায়ণপুর–

চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়, কিন্তু পরিচালনা পর্ষদ বা ম্যানেজিং কমিটি ও কিছু অসাধু শিক্ষক ভূমিদুস্য, দুর্নীতিবাজ ও প্রাইভেট লোভী, যাদের কারনে  বিদ্যাপিঠটি ফলাফল বিপর্যয়।
★১৯৫২ সালে নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শুনেছি স্কুলের পিছনে ও সামনে ভূমি বা জায়গায়গুলো যেমন – পুকুর, পিছনের জায়গা ও স্কুলের সামনের জায়গা প্রায় ১ একর যা ২ কোটি টাকা বিক্রয় করেন। কিন্তু বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও কিছু অসাধু শিক্ষক মিলে ভূমি বিক্রি ও ফরম পূরনে বানিজ্য করেছে।
★ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অনেক সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক ছিল যারা শুধু বিদ্যালয়ে অর্থিক, শারীরিক ও মানসিক শ্রম দিয়ে গেছে কিছু নিয়ে যায়নি। বাগান সাজিয়ে আজ তারা কবর দেশে, কিন্তু যাদেরকে বাগান রক্ষা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা এখন তা বিক্রি করে খাচ্ছে।
★ সৈয়দ বাসার মীর যখন সভাপতি ও মাসুদ রানা যখন শিক্ষনুরাগী সদস্য ছিল(২০১১ সাল হতে ২০১৬ পর্যন্ত) তখন উন্নয়নের বাগান নতুন করে সাজান।কিন্তু বর্তমান যারা ৪ বছর ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বে আছেন তারা বিদ্যালয়ের জন্য কি করেছে প্রশ্ন রয়ে গেল?

★ এখন তুলে ধরবো তাদের পরিচয় ঃ…
১. সভাপতি, আবদুল সালাম মৃধা(মামুন) যিনি ইউ’পি চেয়ারম্যান নায়েরগাঁও দক্ষিন ইউনিয়ন।
করোনা মহামারীতে যিনি জেলেদের ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম করেন ও ২ বার নারায়ণপুর পপুলার উ’বি (বর্তমান) সভাপতি থাকাকালীন বিদ্যালয়ে নামে থাকা হিন্দুদের দান করা ভূমির কাগজগুলো ঠিক করে বিক্রয় করে ফেলেন। যা থেকে তিনি ২০ লক্ষ টাকা কমিশন নেন। ফরম পূরনে তো বানিজ্য আছে। এতো প্রধান শিক্ষক হারুনর রশীদ মোট অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।
২. শিক্ষানুরাগী সদস্য, মনসুর আহমেদ নিপু, যিনি বিদ্যালয়ের ২ বার শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, সে ভর্তি থেকে শুরু করে ফরম পূরন পর্যন্ত টাকা হাতিয়ে নেন। বিদ্যালয়ের পিছনে ও সামনে জায়গায় বিক্রি করে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। আওয়ামী লীগের নেতা বলে কথা অযোগ্য নেতৃত্ব দলের বদনাম হয়।
৩। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য,(২য় বার ) বাড়ৈগাঁও বাড়ি মোঃ রফিক মজুমদার যার যোগসাজে বিক্রি হয় বিদ্যালয়ের ভূমিগুলো সে ভর্তি থেকে শুরু করে ফরম পূরন পর্যন্ত টাকা হাতিয়ে নেন। বিদ্যালয়ের পিছনে ও সামনে জায়গায় বিক্রি করে ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।
৪। ম্যানেজিং কমিটির আরেক সদস্য, মোঃ দুলাল প্রধান –
যিনি দেখতে মনে হয় ভালো কিন্তু স্কুলের জায়গুলো বিক্রিতে তার ভুমিকা অনেক যা আবদান বলে
চলে। সে ক্রেতা মোঃ মুজিবর রহমান প্রধান কে জায়গায় পায়িয়ে দেয়। বিনিময়ে কমিশন বাবদ ২ লক্ষ টাকা
৫।অসাধু শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের জায়গা ক্রেতা….
১. মোস্তফা মাস্টার (শিক্ষক প্রতিনিধি) , স্থানীয় প্রভাবশালী শিক্ষক, যিনি প্রাইভেট বানিজ্য, অকৃতকার্যদের ফরমপূরন করিয়ে দেন, নকলে সহায়তা ও বিদ্যালয়ে সম্পদ বিক্রি করলে সে নিজে ৫ শতাংশ রাখেন।
২।নেছার আহমেদ (শিক্ষক হিসাববিজ্ঞান ) , স্থানীয় প্রভাবশালী শিক্ষক, যিনি প্রাইভেট বানিজ্য, অকৃতকার্যদের ফরমপূরন করিয়ে দেন, নকলে সহায়তা করায় ২ বার বহিষ্কার হয়েছেন ও বিদ্যালয়ে সম্পদ বিক্রি করলে সেও নিজে ৬ শতাংশ রাখেন। তিনি গনিত প্রাইভেট পড়ান ব্যবসা শিক্ষা শাখায় এসসি পরীক্ষায় ফেল করেছেন ৯২ জন।
৩। ইমরুল হাসান (তারেক) আসলে তিনি অত্যন্ত নিবেদিত কিন্তু কিছু কুচক্রি মহলের ফাঁদে পড়ে তিনিও বিদ্যালয়ে জায়গা ক্রয় করেছেন ৫ শতাংশ।
*★ এছাড়াও স্থানীয় শিক্ষক ইউসুফ মিয়াজি ও জিসান আহমেদ (লাইব্রেরীয়ান) যারা প্রাইভেট বানিজ্য, ফরমপূরনে বানিজ্য ও জেএসসি ও এসসি পরীক্ষার সময় সিট প্লান ও রুমের শিক্ষক পরিদর্শক দায়িত্ব পালাবে বলে অভিবাভক ও শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে টাকা নেয়।
আসুন আমরা বিদ্যালয়ে ভালো একজন সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন করি যাদের দারা বিদ্যালয়ের ফলাফল ও শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।
ভূমিদুস্য ও দুর্নীতিবাজ পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষকদেরকে আইনের আওতায় এনে বিদ্যালয়ের সম্পদের যথা্যথ হিসাব নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
প্রচারেঃ অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ
এখন ম্যানেজি কমিটিতে ভালো যোগ্যদের নির্বাচন করি। জুন মাসে….২০২০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here