চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তরে নন্দিখোলা গ্রামের সাবেক প্রয়াত সেনা সদস্য আ: রব মিয়া’র পরিবার তথা ওমর ফারুক তানসেনের ভূমি দখলের পাঁয়তারা করছে একই গ্রামের ফিসারি রফিকগংরা।
এ বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভুগী প্রয়াত সেনা সদস্য আ: রব মিয়া’র পরিবার। প্রয়াত সেনা সদস্য আ: রব মিয়া’র পরিবার নালিশী ভূমি পূর্ব পূরুষ তথা পৈত্রিক নিলাম খরিদ সূত্রে (আনু.৮৮বছর) দখলে আছেন।
নালিশী ভুমিতে সেনা সদস্য আ: রব মিয়া পরিবার নিয়ে কিছু অংশে আবাসিক স্থাপনা (বিল্ডিং) তৈরী করে বসবাস করেন। ছয় কন্যা ও এক ছেলে রাব্বানিকে রেখে মারা যান সেনা সদস্য আ: রব মিয়া। আ: রব মিয়ার ইন্তেকারে পর তাঁর পরিবার নারায়নগঞ্জে বসবাস করেন। সংসারের হাল ধরতে প্রয়াত সেনা সদস্যের একমাত্র ছেলে রাব্বানি মালোশিয়ায় চলে যান। ফলে আ: রব মিয়ার নালিশী ভূমির দেখশোনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন জমির অংশিদারী তার ভাতিজা মো.ওমর ফারুক তানসেন।
এই জমিগুলোর অভিযোগ কারী ওমর ফারুক (তানসেন) গং ও অপরাপর শরীকরা বাড়িতে না থাকার কারনে এবং সরল ও দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে হঠাৎ করেই ফিসারি রফিক বর্ণিত প্রায় ৪ একর ভুমি দখল করার পাঁয়তারা করেন। ইতিপূর্বে প্রকৃত ভূমির মালিক ওমর ফারুক গং নিজেদের ভূমির ফল, জমি চাষবাদ ও রক্ষনাবেক্ষণ করতে গেলে ফিসারি রফিক ও তার ভাই মাদক পাচারকারী লিয়াকত, রফিকের চাচাত ভাই মাদকাসক্ত মুক্তার’সহ লোকবল নিয়ে তাদের মারধর করে আহত করে।
এরই প্রতিকারে অভিযোগকারীরা থানায় একটি জিআরও মামলা করেন। নালিশী ভূমির প্রতিকারের জন্য গ্রামে একাধিক শালিশী বৈঠক করলে গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ অভিযোগকারী তানসেন গং-এর পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে মতলব দক্ষিন থানায়ও একবার শালিশ বৈঠক হয় এবং বৈঠকের সিদ্ধান্তে আইনী প্রক্রিয়া অনুস্বরণ করে ওমর ফারুক গং-এর পক্ষে রায় দেন।
অনুষ্ঠিত শালিশ বৈঠকের রায়কে উপেক্ষা করে রফিক গং আবারও জমি দখলের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ অভিযোগকারী’ মো. ওমর ফারুক (তানসেন) গং উপায়ায়েন্ত না পেয়ে প্রতিকারের প্রত্যাশায় চাঁদপুর জেলা ভূমি আদালদে ফৌ: কা: আইনের ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। যার মামলা নং- ১১৮৬/১৯। এই মামলার একটি আদেশও দেওয়া হয়।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, ভিকটিম রফিক চাঁদপুর যুগ্ন জেলা জজ আদালদে ১৪/২০২০ স্বত্ব মামলা দায়ের করেন এবং ১৪৫ ধারার মামলার আদেশ শুনানীতে ১৪/২০২০ স্বত্ব মামলা (বাডোরা মামলার) রায় নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত জমি ভোগ দখলের জন্য মো. ওমর ফারুক গং’কে অনুমতি দেওয়া হয়। এবং এই রায়ের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ রফিক গং আদালতে আপিল করেন। গত ১২ নভেম্বর ২০২০ ইং আপিল শুনানীর তারিখ নির্ধারন থাকলে প্রতিপক্ষ রফিক গং সময় চেয়ে আবেদন করেন।
কিন্তু এইসব আইনি প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ফিসারি রফিক গং আবারো জোর পূর্বক জমি দখল করে বসত ঘর তৈরী ও ফসলি জমি চাষ করার চেষ্টা করে । গ্রামের গণ্যমানরা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করলেও তা কর্ণপাত করছেনা। রফিক গংরা শক্তি প্রদর্শণ ও অপশক্তি ব্যবহার করে জমি দখলের মতো এসব অপকর্ম করে আসছে বলে যানা যায়। অভিযোগকারীরা আরো উল্লেখ করেন, প্রয়াত সেনা সদস্যের পরিবারের বাড়িঘর ও স্থাপনায় – রফিক গং নানাবিধ আগ্রাসি উৎক্ষেপন করে নষ্ট করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে যাচ্ছেন।
এইসব আগ্রাসন ও জমি দখল প্রতিকারের প্রত্যাশায় সাবেক প্রয়াত সেনা সদস্য আ: রব মিয়া’র পরিবার ও ওমর ফারুক (তানসেন) গং নিরাপত্তা ও ভূমি দখলদার রফিক গং-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাননীয় স্বররাষ্ট্র মন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here