মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নতুন করে আরো সাত জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে উপজেলায় ২৯ জন করোনা রোগী শনাক্তহলো। আজ ১২জুন শুক্রবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মতলব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়,পূর্বে সংক্রমিত মতলব বাজারের ব্যবসায়ী রাধু সাহা (৭৫) এর বাড়ির ব্যবসায়ী কানাই লাল সাহা( ৫৬), ব্যবসায়ী রতন বণিক(৬৮ ) শিক্ষক বশির উদ্দীন( ৫৭ ), নূরুল ইসলাম( ৫৫ ) ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম(৫৮ ) ও বৃজন ঘোষ (৫৫) এর করোনা পজিটিভ আসে। ওই দিন ১৪জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে। এর মধ্যে ছয় জনের করোনা পজেটিভ ও অপর আট জনের করোনা নেগেটিভ ফলাফল আসে। এদিকে মতলবস্থ আইসিডিডিআরবি সূত্রে জানা যায়,ওই হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষায় আবু সাঈদ ( ৪৫)নামের একজনের করোনা পজেটিভ আসে। তিনি হাসপাতালের রেডিও গ্রাফার হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর বাড়ি পৌরসভার নবকলস এলাকায়।

করোনায় আক্রান্ত কানাই লাল সাহার বাড়ি শহরের কলাদী এলাকায়, রতন বণিকের বাড়ি পৌরসভার দূরগাঁও গ্রামে, বশির উদ্দীনের বাড়ী নারায়ণপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে, বৃজন ঘোষের বাড়ি শহরের ঘোষপাড়া এলাকায়,নূরুল ইসলামের বাড়ি পৌরসভার চরমুকুন্দি গ্রামে ও নজরুল ইসলাম উপাদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা বলে জানা গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে প্রকাশ, গত ১০ জুন ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এখনো কিছু নমুনা পরীক্ষার ফলাফল অপেক্ষামান রয়েছে। দেরিতে এ উপজেলায় করোনার সংক্রমণ শুরু হলেও বর্তমানে এর দ্রুত প্রাদুর্ভাব বিস্তারে জনগণ আতঙ্কে আছে।দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনার রেড জোনের তালিকায়ও রয়েছে এ উপজেলাটি।

সূত্রে প্রকাশ, গত ৬ জুন শনিবার সকালে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দগরপুর পাটোয়ারী বাড়ির জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী( ৬৫)এর করোনা পজেটিভ এসেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম কাওছার হিমেল বলেন, নতুন করে আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি চলছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।তারা নিজেদের বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here