মতলবের সাধারন মানুষ করোনা নিয়ে এতকিছু ভাবছে না। নো মাস্ক, নো প্যাসেঞ্জার। বেশ কিছু দেশে করোনা ভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। তারা সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন করে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অন্যদিকে আগের চেয়ে সংক্রমণের সংখ্যা নিম্নমুখী হলেও বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি এখনও বিপদসীমার অনেক ওপরে। আসন্ন শীতকালে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হতে পারে বলে আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সাধারণ মানুষ এতকিছু ভাবছেন না। জীবিকার স্বার্থে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এখন স্বাভাবিকভাবেই চলছে। গত ৫ নভেম্বর মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের অধিকাংশ স্থানে সবকিছুই স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেখা গেছে। মতলবে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনে ও হাট-বাজারগুলোতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। গাদাগাদি করে বিভিন্ন দোকানগুলোতে মানুষেেদর আড্ডা দিতে দেখা গেছে। সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক পরায় অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও যানবাহন পরিবহন শ্রমিকদের ‘মাস্ক নেই কেন’ বলতেই তারা পকেট থেকে মাস্ক বের করে পরে ফেলেন। আবার কারো কারো মাস্ক পড়া তো দূরের কথা মাস্ক রাখেনও না। মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার আইচ বিভিন্ন যানবাহনে মাস্ক বিতরন করছেন। করোনা ঠেকাতে যানবাহনগুলোর চালকদের ও যাত্রীদের মাঝেও মাস্ক বিতরন করছেন। এদিকে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ এ জনসচেতনতার সৃষ্টি করেছে। আর এই জনসচেতনতা কার্যক্রমের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন বাংলাদেশ পুলিশের মাঠপর্যায়ের করোনাযোদ্ধা জনবান্ধব মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার আইচ। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত মাস্ক ব্যবহার করা। গত ৫ নভেম্বর মাস্ক বিতরনকালে তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসছে। নো মাস্ক, নো প্যাসেঞ্জার। মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উভয় উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আসছে শীত ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারনে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধেয়ে আসছে। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here