রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চডুবির ঘটনায় মিনিটে মিনিটে তোলা হচ্ছে লাশ। কিছুক্ষণ আগে লাশের সংখ্যা ছিল ১৫। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেড়ে হলো ১৬। এর পর রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা। আবারও কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাড়লো। তোলা হলো আরও ৯টি লাশ। এর শেষ কোথায়? সময়ে সময়ে বাড়ছে লাশের মিছিল। সেখানে একে একে তোলা হচ্ছে লাশ। সোমবার (২৯ জুন) সকাল নয়টার দিকে সদরঘাটের শ্যামবাজার এলাকায় এ লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। এ পর্যন্ত ২৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

লঞ্চডুবির পর সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। সঙ্গে বিপুল সংখ্যাক স্থানীয় মানুষ সহায়তা করছে। তবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে রওয়ানা দেয়া  বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ এখানো পৌঁছায়নি।
স্থানীয়রা জানান, লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পর বেশ কিছু যাত্রী সাতরে নদীর কিনারে উঠতে সক্ষম হয়। তবে বেশিরভাগই উঠতে পারেনি। কতজন উঠতে পারেনি তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কোনো কর্তৃপক্ষ। লঞ্চডুবির পর সেখানে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও নৌ বাহিনীর ডুবুরি এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত (বেলা ১২টা) উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পরপর তারা লাশ তুলে আনছেন। এভাবে একে একে ইতোমধ্যে ২৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, সকাল নয়টার দিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দুই তলা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, ডুবে লঞ্চটিতে কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here